প্রগতির পথে বিজ্ঞানচর্চা
সেভেন আপ, পেপসি কিংবা কোকাকোলার মত কোমল পানীয় আমরা সবাই খেয়ে থাকি।কিন্তু সেটাতো দোকান থেকে কিনে।যদি ঘরে বসেই তৈরি করা যায় এই সব পানীয় যা স্বাদে ও গন্ধে হবে ঠিক আপনার প্রিয় কোন বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের মত, তবে কেমন হবে? নিশ্চয়ই অনেক মজা হবে।তাহলে আর দেরি না করে ঝটপট বানিয়ে ফেলুন আপনার পছন্দের লেমনেড ড্রিংক ।আর চমকে দিন সবাইকে। উপকরণঃ ১) লেবু ২) গ্লাস ৩) বেকিং সোডা ৪) চিনি যা করতে হবেঃ ১) লেবু ভালো ভাবে চিপে যতটা সম্ভব রস বের করে গ্লাসে রাখুন ২) লেবুর রসের সমপরিমান পানি গ্লাসে ঢালুন ৩) এক চা চামচ পরিমান বেকিং সোডা গ্লাসের মিশ্রণে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন ৪) পানীয়টি চেখে দেখুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিনি ...
ফুলের রং পাল্টে দেবার আগে আমার ছোট মামার কথা বলে নেই। আমার দেখা প্রথম বিজ্ঞানী হচ্ছেন আমার ছোট মামা। তার কাছ থেকেই শিখেছি কি করে ফুলের রং পাল্টে দিতে হয়। প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় আমরা ছিলাম সেই বিজ্ঞানী মামার সার্বক্ষণিক এসিস্ট্যান্ট। সে সুবাদে তার কাছ থেকে শিখেছি হলুদ আর সাদা মেশানো ছিটছিট রঙের পাতাবাহার গাছের ডাল কেটে স্বচ্ছ কাঁচের বোতলে পানি ভরে রেখে দিলে কিভাবে শিকড় গজায়। আরও শিখেছি, ফাউন্টেন পেনের কালির দোয়াতে সাদা ফুলের দুবলা গাছ থেকে কী করে কালো ফুল ফোটাতে হয়। চিকন বাঁশের চটি দিয়ে বানিয়েছি বাতাসের দিক নির্দেশক যন্ত্র। ফিউজ হয়ে যাওয়া বাল্বের ভেতর কালি শেষ ...
যা যা লাগবেঃ ১. একটি ডিভিডি ক্যাসেট ২. বড় সিডি বক্স অথবা মোটামুটি ২০সে.মি দৈর্ঘ্যের যেকোন বাক্স ৩.লেন্স খোলা যায় এমন ওয়েবক্যাম ৪.কম্পিউটার ৫.কাঁচি ৬.কিছু কালো কাগজ ৭.এন্টি কাটার ৮.আঠা ৯.স্কেল ১০. জ্যামিতির চাঁদা ১১.পেন্সিল ১২.কালো টেপ ইত্যাদি বানানো শুরু করঃ ১. প্রথমে ওয়েবক্যামটা নিয়ে ওটার লেন্সটা খুলে ফেল। দেখ লেন্সের ভিতরের অংশে একটা রঙ্গিন ছোট্ট কাঁচের টুকরা লাগানো আছে। এটা হল ইনফ্রারেড ফিল্টার। এটাকে এন্টি কাটারের চোখা অংশটা দিয়ে খোচা মেরে খুলে ফেল। লেন্সটা আগে যেমন ছিল তেমনি করে লাগিয়ে দাও। ২. এবার ডিভিডি ক্যাসেটটা নাও। ওটার একটা অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে ফেল। এবার ভালো করে দেখ ডিভিডিটা আসলে দুইটা অংশ একসাথে জোড়া দিয়ে বানানো হয়েছে। এন্টি কাটারের চোখা অংশটা দিয়ে একটু ...
(পোস্টের সাথে সংযুক্ত ভিডিও গুলো ছাড়া আমার লেখার কিছুই বোঝা যাবে না। যারা আগ্রহ নিয়ে পড়বেন, তাদেরকে অনুরোধ করবো ভিডিওগুলো দেখতে।) ৮ম সেমিস্টারের অটোমোবাইল (Automobile) ক্লাসের কথা মনে পড়ছে। আমরা সবাই বয়লার ল্যাবে বসে আছি আর সিরাজুল করিম চৌধুরী (SKC) ক্লাস নিচ্ছেন। ক্লাস রুমের তুলনায় ছোট খাট একটা ব্ল্যাক বোর্ডে প্রাণান্তক চেষ্টা করছেন একটা ছবি আঁকার। ছবিটা হল ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের (Differential gear)। অনেক সময় নিয়ে তিনি ছবিটা আঁকা শেষ করলেন। এরপর অনেক কষ্ট করে ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের কার্যপদ্ধতি বোঝানোর চেষ্টা করলেন। ক্লাসে আর কে কি বুঝেছিল জানি না, তবে আমি কিছুই বুঝিনি। পরে রুমে ফিরে এটা নিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করলাম। পেলাম এই ভিডিওটা। চমৎকার ...
প্রজেক্ট বানাতে কার না ভালো লাগে? আর সেই সব প্রজেক্ট যদি বানানো যায় হাতের কাছে থাকা জিনিষগুলো দিয়ে তাহলে তো কথাই নেই। তেমনি হাতের কাছে থাকা জিনিষ দিয়ে তৈরি করবো আমাদের আজকের প্রজেক্ট। যা যা লাগবে: বেলুন সুতা ৬ সেমি. পাইপ স্কসটেপ কাঁচি প্রজেক্টের বিবরন: ১. প্রথমে বেলুনটি ফুলাতে হবে এবং হাত দিয়ে ধরে এর মুখ বন্ধ করতে হবে। ২. এবার একটি লম্বা সুতায় পাইপটি ঢুকাতে হবে এবং সুতার শুরুর দিকটি আটকে দিতে হবে। তারপর তোমার বন্ধুকে বলো সুতার শেষ প্রান্তটি ধরে রাখতে। ৩. স্কসটেপ দিয়ে বেলুনটি পাইপের সাথে লাগিয়ে দাও। তারপর বেলুনটি ছেড়ে দাও। যখন বেলুনটি ছুঁটতে শুরু করবে তখন বেলুনটিকে রকেট মনে হবে। তৈরি হয়ে গেল তোমার মজার বেলুন রকেট। এই ...
বিচিত্র কারণে এলাকার কাকগুলো প্রায়ই চড়াও হয় অ্যান্টেনার ওপর। তখন স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পেতে সমস্যা হয়। নিজের তৈরি আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রাহক অ্যান্টেনা দেখাতে গিয়ে এ কথা বললেন তারিফ রশীদ। ঢাকার অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠনের ডেমরা শাখা বিজ্ঞানচর্চা চালিয়ে আসছে নিয়মিত। ওই সংগঠনেরই এক বিজ্ঞানকর্মী তারিফ। আর তাঁর বাসার ছাদেই আছে নানা রকম ছয়টি অ্যান্টেনা! চারটি দেখতে সাধারণ টিভি-অ্যান্টেনার মতো হলেও একটি বেশ প্যাঁচালো, ঠিক যেন কোষের ডিএনএ। অন্যটা বিচিত্র এক চতুর্ভুজের মতো। কক্ষপথে ঘুরতে থাকা বিভিন্ন আবহাওয়া স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্য ধরার জাল এসব অ্যান্টেনা। তারিফদের নিয়মিত কাজ হলো, ওই স্যাটেলাইটগুলোর পাঠানো সংকেত নেওয়া। তারপর কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ, বঙ্গোপসাগরসহ আশপাশের এলাকার মেঘের ...