প্রগতির পথে বিজ্ঞানচর্চা
ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতে ফোর্বস এর একটা আর্টিকেল পেয়ে গেলাম আজ, বিষয় – Dangerous Education in Developing Countries বা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিপজ্জনক শিক্ষা। ওরা উন্নয়নশীল/দরিদ্র ২০ টা দেশের স্কুলের শিক্ষা ব্যাবস্থা এর উপর সার্ভে করেছিল একটা। তার একটা জিস্ট সেখানে দিয়েছে। সেখান থেকে কিছুটা অনুবাদ করছি। বিপজ্জনক শিক্ষার তালিকা তৈরি করা হলে যেটি সবার উপরে স্থান করে নিবে, সেই শিক্ষাটি হল, “শিক্ষকরা সব কিছুই জানেন”- এ ধারণাটা শিক্ষার্থীর মনে জাগিয়ে তোলা। শিশুরা মনে করে, শিক্ষকরা খুবই জ্ঞানী এবং তাঁরা মারাত্মক ক্ষমতাধর। এ ধারণার কারণে অনেকেই বিতর্কিত বিষয়গুলো যাচাই করে দেখার মানসিকতা ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে। বিপজ্জনক শিক্ষার দ্বিতীয় পাঠটা সম্ভবত এই যে একটা ...
(পোস্টের সাথে সংযুক্ত ভিডিও গুলো ছাড়া আমার লেখার কিছুই বোঝা যাবে না। যারা আগ্রহ নিয়ে পড়বেন, তাদেরকে অনুরোধ করবো ভিডিওগুলো দেখতে।) ৮ম সেমিস্টারের অটোমোবাইল (Automobile) ক্লাসের কথা মনে পড়ছে। আমরা সবাই বয়লার ল্যাবে বসে আছি আর সিরাজুল করিম চৌধুরী (SKC) ক্লাস নিচ্ছেন। ক্লাস রুমের তুলনায় ছোট খাট একটা ব্ল্যাক বোর্ডে প্রাণান্তক চেষ্টা করছেন একটা ছবি আঁকার। ছবিটা হল ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের (Differential gear)। অনেক সময় নিয়ে তিনি ছবিটা আঁকা শেষ করলেন। এরপর অনেক কষ্ট করে ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের কার্যপদ্ধতি বোঝানোর চেষ্টা করলেন। ক্লাসে আর কে কি বুঝেছিল জানি না, তবে আমি কিছুই বুঝিনি। পরে রুমে ফিরে এটা নিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করলাম। পেলাম এই ভিডিওটা। চমৎকার ...