পরিবেশ ও প্রকৃতি

Top 25 Most Viewed Posts



Archives by Month:


Archives by Subject:

এশিয়ান লেডিবার্ড পোকার বায়োটেররিজম

    লেডিবার্ড বিটল কে তো আমরা সবাই চিনি। বাসার সামনের সবজী ক্ষেত বা কোন চাষাবাদের জমিতে গেলেই এসব উজ্জ্বল সুন্দর পোকাগুলির নড়াচড়া দেখতে পাবেন। ফসলের জন্য ক্ষতিকর পোকাদের খেয়ে লেডিবার্ড -রা আমাদের আসলে উপকারই করে বলা চলে। সেজন্যই, ৫০ থেকে ৬০ বছর আগে, এশিয়ান লেডিবার্ড বিটল (চীন এবং জাপান থেকে) নিয়ে আসা হয়েছিল ইউরোপে। কিন্তু তখন ইউরোপিয় বাপধনেরা বুঝতে পারেনাই কি জিনিস নিয়ে যাচ্ছেন তারা নিজেদের দেশে। এখানে বলে রাখি, লেডিবার্ড বিটল ইউরোপেও পাওয়া যায়। কিন্তু তারা এশিয়ানদের মত এত চটপটে আর শক্তিশালী না। সেজন্য পেস্ট কন্ট্রোল বা পোকা নিয়ন্ত্রনে এশিয়ান লেডিবার্ড পোকা বেশ ভালই খেল দেখাচ্ছিল ইউরোপে। ঝামেলা বাঁধল যখন এই এশিয়ান ...

‘দক্ষিণ এশিয়ার পানি সম্পদ: বিরোধ থেকে সহযোগিতা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অনুসন্ধিৎসু চক্র

সম্প্রতি (৪ ও ৫ জানুয়ারি, ২০১৩) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘দক্ষিণ এশিয়ার পানি সম্পদ: বিরোধ থেকে সহযোগিতা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এর মূল আয়োজক ছিলো বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্ক (বেন)। এই সম্মেলনের লক্ষ্য ছিলো- গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা অববাহিকার দেশ সমূহের পানি সম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রম, তার পেছনে কার্যকর মূল নীতি দর্শন ও কাজের প্রক্রিয়ার অভিজ্ঞতাসমূহ নিরীক্ষণ, এই এলাকার বিদ্যমান পানি উন্নয়ন সমস্যা, বিস্তৃত অববাহিকা ভিত্তিক নদী দৃষ্টিভঙ্গি ও বহুমুখী সহযোগিতার সম্ভাবনা বিষয়ে অববাহিকা অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক মন্ডলের জনগণকে সচেতন করা এবং বিদ্যমান মতামত ও ধারণা সমূহের খোলামেলা আদান প্রদান, বিশেষজ্ঞ ও কর্মীদের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি। আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে ...

অতিথি পোস্ট : আমেরিকা+এশিয়া=অ্যামাশিয়া

আমাদের চেনা পৃথিবীর চেহারা সব সময় এক রকম ছিল না। ২০০ মিলিয়ন বছর আগে সব মহাদেশ একসঙ্গে লেগে ছিল, ভূতাত্তি্বকরা এর নাম দিয়েছেন প্যানাজিয়া। এই সুপার কন্টিনেন্ট টুকরো টুকরো হয়ে আফ্রিকা, এশিয়া, আমেরিকা হয়েছে। দিন কয়েক আগে বিজ্ঞানীরা আবার বললেন, আবার পৃথিবীর জোড়া লাগার সময় ঘনিয়ে এসেছে। তাঁরা অনুমান করছেন, আমেরিকা আর এশিয়া উভয়েই উত্তরের দিকে সরে গিয়ে গঠন করবে অ্যামাশিয়া সুপার কন্টিনেন্ট। আর্কটিক সাগরের অনেকখানি গায়েব হয়ে যেতে পারে এতে। সুপার কন্টিনেন্ট যেনতেন ব্যাপার নয়। ডায়নোসরদের আমলে প্যানজিয়াই শুধু ছিল পৃথিবীতে। সুপার কন্টিনেন্ট গঠন নিয়ে নানান মত আছে। সবচেয়ে প্রচলিত, আগের সুপার কন্টিনেন্টের মাথার ওপর থেকে নতুনটি জন্ম নেয়। একে ...

পতঙ্গের অবাক করা ক্যামোফ্ল্যাজ

বিবর্তনের ধারায় এই পৃথিবীতে কয়েক কোটি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবির্ভাব ঘটেছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৫% ই পতঙ্গ শ্রেণীতে পড়ে। এই পতঙ্গগুলোর প্রতিটিরই রয়েছে নিজস্ব আত্মরক্ষার ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থাগুলো এতই বৈচিত্র্যময় যে রীতিমত অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। এ ধরনেরই একটি আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হচ্ছে ক্যামোফ্ল্যাজ। ক্যামোফ্ল্যাজ হচ্ছে এমন একটি বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে কোন প্রানীকে তার পরিপার্শ্ব থেকে সহজে পৃথক করা যায় না। এর ফলে প্রায়ই প্রানীটি বিভিন্ন শিকারির নজর এড়িয়ে যেতে পারে। এর মধ্য সবচেয়ে সহজ কৌশল হল প্রানীটির গায়ের রং তার পরিবেশের সাথে মিলে যাওয়া। যেমনটা হল ঘাস ফড়িংয়ের। কিছু কিছু পতঙ্গের শুধু গায়ের রং নয় বরং শরীরে বিভিন্ন নকশা থাকে যা তাকে ...

ফটোব্লগ | কিছু পরিবেশবাদী শিল্পকর্ম

১. নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে বিশ্বে এখন নানা রকমের কাজ হচ্ছে। বায়োফুয়েলের নাম হয়তো অনেকেই শুনেছেন। বায়োফুয়েলের এখন তৃতীয় প্রজন্ম নিয়ে গবেষণা চলছে। বায়োফুয়েল হলো জৈবপদার্থ, জীবিত ব্যাক্টেরিয়া, শৈবাল, গাছ হতে তৈরি জ্বালানী। প্রধানত ইথানল এলকোহল। জৈবজ্বালানীর প্রথম প্রজন্মটি ছিলো খাদ্যশস্য থেকে জ্বালানী তৈরি। এই পদ্ধতিটি মানুষের খাদ্য আর কৃষিজমির উপর  ভাগ বসায়। সুতরাং চিন্তা করা হলো অন্য কোন পদ্ধতির। এলো দ্বিতীয় প্রজন্মের জৈবজ্বালানী।   এই প্রজন্মের জ্বালানী কাজ করতো বিভিন্ন পরিত্যাক্ত জৈব পদার্থ নিয়ে। এক্ষেত্রে সমস্যা দাঁড়ায় বাস্তুসংস্থানে। পরিত্যাক্ত জৈবপদার্থ পচে গিয়ে আবার প্রকৃতিতে ফিরে যেত। এগুলোকে কৃত্রিমভাবে জ্বালানী উৎপাদনে ব্যবহার করলে  পরিবেশে এই রিসাইক্লিং হবে না - ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে। ...

গ্রীন হাউস ইফেক্ট: অজানা তথ্য

গ্রীনহাউজ ইফেক্ট সম্বন্ধে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর উপস্থিতি এর জন্য দায়ী সেটাও আমরা সবাই জানি। তবে যে বিষয়গুলো সবাই জানে না সেগুলো অবগত করাই আজকের লেখাটির উদ্দেশ্য। কার্বন-ডাইঅক্সাইড ছাড়াও গ্রীনহাউস ইফেক্টের জন্য দায়ী বেশ কিছু গ্যাস রয়েছে। এগুলো হচ্ছে মিথেন(১৯%), ক্লোরো-ফ্লোরো-কার্বন(১৭%), ওজোন(৮%), নাইট্রাস অক্সাইড(৪%), জলীয় বাস্প(২%)। বন্ধনীর ভিতরে লেখা সংখ্যাগুলো দ্বারা গ্রীনহাউজ ইফেক্টের জন্য কোন গ্যাস কতটা দায়ী সেটা দেখানো হলো। কার্বন-ডাইঅক্সাইড একা ৫০% দায়ী। অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে গ্রীনহাউজ ইফক্টের জন্য কার্বন-ডাইঅক্সাইড একা দায়ী নয়। এর পাশাপাশি আরো কিছু গ্যাসের দায়িত্ব আছে। মিথেন:আমরা রান্না-বান্নার কাজে কিংবা সিনজি হিসেবে যে ...