Archive for March, 2012

Top 25 Most Viewed Posts



Archives by Month:


Archives by Subject:

এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-২

প্রতি-পরমাণু (Anti-atoms) এবং প্রতি-রসায়ন (Anti-Chemistry) এর উদ্ভাবন এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (১ , ৩ , ৪) মূল : মিশিও কাকু বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকের কথা , যখন পদার্থবিদরা অনুধাবন করতে লাগল যে পরমাণু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা দিয়ে গঠিত । এই কণা গুলোর মধ্যে ঋণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট ইলেকট্রন যা কিনা নিউক্লিয়াস কে কেন্দ্র করে ঘুরে , আর নিউক্লিয়াসে আছে মূলত ধণাত্মক চার্জ বিশিষ্ট প্রোটন এবং চার্জবিহীন নিউট্রন । ১৯৩০ সালে (পল ডিরাক সর্ব প্রথম ইলেকট্রনের প্রতিকণা পজিট্রনের কথা ভবিষ্যৎ বাণী করেছিলেন এবং যা ১৯৩২ সালে অ্যান্ডারসনের পরীক্ষায় আবিষ্কৃত হয় ) বিজ্ঞানীরা খুবই অবাক হয়েছিল যখন তাঁরা জানতে পারল যে প্রতিটি কণাই যমজ শুধু এদের ...

পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার কথা-২

এই সিরিজের অন্য পোস্ট গুলো পড়তে চাইলে পূর্বের পোস্টে বোসন আর ফার্মিয়ান কণার কথা বলেছিলাম আজ ফার্মিয়ান কণাদের দিয়েই শুরু করি । এই কণা গুলোকে বলা হয় ‘বস্তু কণা’ অর্থাৎ আমরা আমাদের চারপাশে যাই দেখি সবই এই ফার্মিয়ান কণা দিয়ে গঠিত (তবে ফার্মিয়ান কণার মধ্যে যে বল আছে তা কিন্তু বোসন কণার জন্য সৃষ্টি) , এরা অড হাফ ইন্টিজার ১/২ স্পিনযুক্ত কণা অর্থাৎ ১/২ ,৩/২ ,৫/২ ... ইত্যাদি । এই কণাগুলো পদার্থবিদ ওলফ্ গ্যাংগ পাউলির বর্জন নীতি (পরমাণুর দু’টি বা তার বেশি সমতুল্য ইলেক্ট্রন থাকতে পারে না যার কোয়ান্টাম সংখ্যা গুলোর মান একই ) মেনে চলে । এই নীতি অনুযায়ী ...

এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-১

এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (২ , ৩ , ৪)   মূল : মিশিও কাকু ড্যান ব্রাউন আমার একজন প্রিয় লেখক , তাঁর The Da Vinci Code বইটির জন্য অনেকের কাছেই তিনি আজীবন  স্মরণীয় হয়ে থাকবেন । Angels And Demons তাঁর আরেকটি বিখ্যাত বই ,এই বইয়ের গল্পের একটি পর্যায়ে লেখক এন্টি-ম্যাটার বোম এর কথা উল্লেখ করেন যা কিনা Illuminati নামক চরমপন্থি একটি দল জেনেভার নিউক্লিয়ার পরীক্ষাগার CERN হতে চুরি করে । এই চক্রান্তকারী দল  কোনভাবে জানতে পারে যে ম্যাটার এবং এন্টি-ম্যাটার যখন একে অন্যের সংস্পর্শে আসে তখন ভয়াবহ রকমের বিস্ফোরণ হয় , যা হাইড্রোজেন বোম হতে কয়েক গুণ শক্তিশালী । যদিও এক সময় এন্টি-ম্যাটার ...

পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার কথা-১

এই সিরিজের অন্য পোস্ট গুলো পড়তে চাইলে পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা কি ? এই প্রশ্নটি একজন সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞেস করা হলে ,তার উত্তরটি হবে ইলেক্ট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন হচ্ছে পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা । আর যারা একটু-আধতু পদার্থ বিজ্ঞানের খবর রাখে তারা হয়তো বলেই দিবে পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হচ্ছে কোয়ার্ক , লেপ্টোন ইত্যাদি । তারমানে দাড়াচ্ছে আমি যা নিয়ে লিখতে যাচ্ছি তা কম-বেশি সবার জানা ,তারপরেও লিখছি যদি কারো অজানা থাকে । পদার্থের এই ক্ষুদ্রতম কণা সম্পর্কে মানুষ আগে জানতো না । ১৮০৩ সালের আগে মানুষ জানতো আমাদের বিশ্বব্রাহ্মন্ড ৪ টি মৌলিক বস্তু দিয়ে গঠিত । মাটি পানি বাতাস আগুন আর মৌলিক বস্তুর ধারনাটি বিখ্যাত দার্শনিক অ্যারিস্টটল ...

শিক্ষাদান পদ্ধতি বিষয়ক তৃণ চর্বন – (বিজ্ঞান শিক্ষা জনপ্রিয় করতে দূরশিক্ষণ পদ্ধতি)

(পোস্টের সাথে সংযুক্ত ভিডিও গুলো ছাড়া আমার লেখার কিছুই বোঝা যাবে না। যারা আগ্রহ নিয়ে পড়বেন, তাদেরকে অনুরোধ করবো ভিডিওগুলো দেখতে।)   ৮ম সেমিস্টারের অটোমোবাইল (Automobile) ক্লাসের কথা মনে পড়ছে। আমরা সবাই বয়লার ল্যাবে বসে আছি আর সিরাজুল করিম চৌধুরী (SKC) ক্লাস নিচ্ছেন। ক্লাস রুমের তুলনায় ছোট খাট একটা ব্ল্যাক বোর্ডে প্রাণান্তক চেষ্টা করছেন একটা ছবি আঁকার। ছবিটা হল ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের (Differential gear)। অনেক সময় নিয়ে তিনি ছবিটা আঁকা শেষ করলেন। এরপর অনেক কষ্ট করে ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের কার্যপদ্ধতি বোঝানোর চেষ্টা করলেন। ক্লাসে আর কে কি বুঝেছিল জানি না, তবে আমি কিছুই বুঝিনি।   পরে রুমে ফিরে এটা নিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করলাম। পেলাম এই ভিডিওটা। চমৎকার ...

দেজাভুঁ – একটি অদ্ভূত অভিজ্ঞতা

কখনো কি আপনার মনে হয়েছে আপনার দেজাভুঁ হচ্ছে? কোন ঘটনা ঘটে যাওয়ার সময় কি আপনার মনে হয়েছে এটি আগেও ঘটেছিলো? নতুন কোন দৃশ্য, মানুষকে দেখে সময় মনে হয়েছে কি আপনি আগেও দেখেছেন? Don't know why I feel this way Have I dreamt this time, this place? Something vivid comes again into my mind And I think I've seen your face Seen this room, been in this place Something vivid comes again into my mind আয়রন মেইডেনের ড্রিম অব দ্য মিররের মতোই কি একেবারেই অচেনা জায়গায়, অচেনা মানুষকে দেখে যদি মনে হয় আগেও একই দৃশ্যপটে একই মানুষের সাথে ছিলেন? তাহলে বুঝবেন - আপনার দেজাভুঁ হচ্ছে। দেজাভুঁ কোন অলৌকিক, অতিন্দ্রীয় ...

আজ π (পাই) দিবস এবং…..

π এর সাথে আমরা সবাই কমবেশী পরিচিত। যে কোনো বৃত্তের পরিধির দৈর্ঘ্য এবং ব্যসের ধৈর্ঘ্যের অনুপাত সর্বদা নির্দিষ্ট। এই নির্দিষ্ট অনুপাতটি π নামে পরিচিত। এর মান ৩.১৪১৫৯২৬৬৩……। π এর মানের সাথে মিলিয়ে প্রত্যেক বছর ৩য় মাসের ১৪ তারিখটিকে π দিবস, দুপুর ১টায় π ঘন্টা, ১ বেজে ৫৯ মিনিটে পাই মিনিট এবং ১ বেজে ৫৯ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে π সেকেন্ড পালন করা হয়। π একটি অমূলদ সংখ্যা অর্থাৎ এই সংখ্যাটিকে দুটি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাতে প্রকাশ করা যায় না। এই কারনেই π এর মান সম্পুর্ণ বিক্ষিপ্ত। অর্থ্যাৎ দশমিকের পর এর মানটিতে কোন অংকের পর কোন অংক আসবে সেটা কোন প্যাটার্ন অনুযায়ী হিসেব করা ...

Women in Science

Bigganblog has offered us many ways to view and see many things that are going on in the scientific world in its various fields. Be it physics, chemistry, biology etc. It is indeed greatly commendable what the blog is putting together. So today I have decided to finally share my two pennies worth. So as I was thinking what can I possibly write about it struck me that last week was women’s week and well why not write about the women scientists who have left their footprints in science? Sometimes these women have got their deserved recognition but more often than ...

কোয়ান্টাম তত্ত্বের সূচনা, বিব্রত ম্যাক্স প্লাঙ্ক (এবং কোয়ান্টামকে বোঝার চেষ্টা)

  স্বপ্নের কথা এক স্বপ্নের মাঝে গাড়ি চালাচ্ছিলাম। হঠাৎ খেয়াল করলাম, গাড়ির স্পিডের আচরণ কেমন যেন অন্যরকম। এক্সেলেটরে চাপ দিলে স্পিড ক্রমাগত বাড়ছে না। বরঙ হঠাৎ হঠাৎ ৫/ ১০ করে বাড়ছে। উদ্বেগের বিষয়। কোয়ান্টাম জগতে চলে এলাম নাকি?   ভূমিকার কথা লোহাকে তাপ দিলে তা গরম হয়ে লাল রঙের আলো ছড়ায়। কামারশালায় আমাদের পরিচিত অভিজ্ঞতা। তাপমাত্রা বাড়াতে বাড়াতে তা একসময় সাদা আলো ছড়ায়। কামারশালাতে যারা যান নি - তারা তো ইলেক্ট্রিক বাল্ব দেখেছেন নিশ্চই। এই জাদুর প্রদীপে একই ঘটনা ঘটে - টমাস আলভা এডিসনের বিখ্যাত আবিষ্কার। এখানে বিদ্যুত নামের এক দৈত্য ধাতুর কুন্ডলীর (ট্যাঙস্টেন ফিলামেন্ট) মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় এতটাই উত্তপ্ত হয় যে তা আলো ...

অতিথি পোস্ট : আমেরিকা+এশিয়া=অ্যামাশিয়া

আমাদের চেনা পৃথিবীর চেহারা সব সময় এক রকম ছিল না। ২০০ মিলিয়ন বছর আগে সব মহাদেশ একসঙ্গে লেগে ছিল, ভূতাত্তি্বকরা এর নাম দিয়েছেন প্যানাজিয়া। এই সুপার কন্টিনেন্ট টুকরো টুকরো হয়ে আফ্রিকা, এশিয়া, আমেরিকা হয়েছে। দিন কয়েক আগে বিজ্ঞানীরা আবার বললেন, আবার পৃথিবীর জোড়া লাগার সময় ঘনিয়ে এসেছে। তাঁরা অনুমান করছেন, আমেরিকা আর এশিয়া উভয়েই উত্তরের দিকে সরে গিয়ে গঠন করবে অ্যামাশিয়া সুপার কন্টিনেন্ট। আর্কটিক সাগরের অনেকখানি গায়েব হয়ে যেতে পারে এতে। সুপার কন্টিনেন্ট যেনতেন ব্যাপার নয়। ডায়নোসরদের আমলে প্যানজিয়াই শুধু ছিল পৃথিবীতে। সুপার কন্টিনেন্ট গঠন নিয়ে নানান মত আছে। সবচেয়ে প্রচলিত, আগের সুপার কন্টিনেন্টের মাথার ওপর থেকে নতুনটি জন্ম নেয়। একে ...