Archive for July, 2012

Top 25 Most Viewed Posts



Archives by Month:


Archives by Subject:

খবর-দার বিজ্ঞান দ্বিমাসিক এর নতুন যাত্রায় বিজ্ঞান লেখকদের জন্য খবর!

আগামী ৬ আগষ্ট হিরোশিমা দিবস এবং ৯ আগষ্ট নাগাসাকি দিবস। ১৯৪৫ সালের ৬ আগষ্ট, এই দিনে সকালে জাপানের হিরোশিমা শহরে লিটল বয় এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে ফ্যাটম্যান নামের নিউক্লিয় বোমার বিস্ফোরণের হাজার মানুষের হতাহতের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এই ভয়াবহ ঘটনার স্বাক্ষী হয়ে এবং ভবিষ্যতে আরও মারাত্মক পরমাণু বিপর্যয়ের আশংকায় পৃথিবীর মানুষ বাস করছে। হিরোশিমা - নাগাসাকি দিবস উপলক্ষে অনুসন্ধিৎসু চক্র মুগদাপাড়া শাখার মুখপত্র, বিজ্ঞান পত্রিকা খবর - দার এর একটি বিশেষ সংখ্যা বের হতে যাচ্ছে। খবর-দার একটি দ্বিমাসিক বিজ্ঞান পত্রিকা। বিজ্ঞান সংগঠন অনুসন্ধিৎসু চক্র এর Anushandhitshu Chokro Science Organization একটি শাখা "মুগদাপাড়া শাখা"। শাখার পত্রিকা হলো খবরখবর্রাবুকাি খবর-দার নামটি নেয়া হয়েছে দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়ের 'বিজ্ঞান কি ...

মঞ্চে স্ট্রিঙের প্রবেশ

গত পোস্টে আমরা আপেক্ষিক কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্বের নাম শুনেছি। মৌলিক কণাগুলোর আচরণ, ধর্ম ব্যাখ্যা করার জন্য এই ক্ষেত্রতত্ত্ব বেশ ভালো কাজ করে। কিন্তু এর সীমাবদ্ধতা হলো তত্ত্বটি ধরে নেয় মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অনেক দূর্বল বলে পরিত্যাজ্য।  অন্যদিকে আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব মহাবিশ্বের গঠন, বিগব্যাঙ, ব্ল্যাকহোল, নক্ষত্র আর গ্যালাক্সিদের বোঝার জন্য দারুণ। কিন্তু এই তত্ত্ব ধরে নেয় মহাবিশ্ব ক্ল্যাসিক্যাল - মহাবিশ্বকে বোঝার জন্য কোয়ান্টাম মেকানিক্সের প্রয়োজন নেই। এই ফাঁক পুরনের জন্য এলো স্ট্রিঙ তত্ত্ব। আমরা জানি, ভারী বস্তুকণা হেড্রনদের (যেমন প্রোটন, নিউট্রন) নির্দিষ্ট ভর এবং স্পিন আছে।  এই দুইটির মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখার জন্য স্ট্রিঙ তত্ত্ব প্রথমে প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু এই কাজে স্ট্রিঙ তত্ত্ব তেমন ...

মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে : মহাকর্ষের গতি ও রবীন্দ্রনাথ

রবীন্দ্রনাথের নাম উচ্চারণ ছাড়া বাঙ্গালী নাকি এক পাও এগুতে পারে না। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের বিশ্বপরিচয় প্রতিটি বিজ্ঞান-পিপাসু বাঙ্গালীর পড়া উচিত। এই বইটি রবীন্দ্রনাথ তাঁর জীবনের শেষ-প্রান্তে (১৯৩৭এ প্রকাশ) লিখেছিলেন, উৎসর্গ করেছিলেন সত্যেন বসুকে। এর উপসংহারে রবীন্দ্রনাথ এনট্রোপী ও মহাবিশ্বের শীতল মৃত্যু নিয়ে লিখেছিলেনঃ     "পণ্ডিতেরা বলেন, বিশ্বজগতের আয়ু ক্রমাগতই ক্ষয় হচ্ছে এ কথা চাপা দিয়ে রাখা চলে না। মানুষের দেহের মতোই তাপ নিয়ে জগতের দেহের শক্তি। তাপের ধর্মই হচ্ছে যে খরচ হতে হতে ক্রমশই নেমে যায় তার উষ্মা। সূর্যের উপরিতলের স্তরে যে তাপশক্তি আছে তার মাত্রা হচ্ছে শূণ্য ডিগ্রির উপরে ছয় হাজার সেন্টিগ্রেড। তারই কিছু কিছু অংশ নিয়ে পৃথিবীতে বাতাস চলছে, জল পড়ছে, ...

মহাবিশ্বের শেষ প্রান্তে (প্রথম কিস্তি)

          এই ছবিটা আমি ছোট থাকতে দেখেছিলাম। পৃথিবীর শেষ প্রান্তে পৌঁছে এক পর্যটক তারকাখচিত গোলার্ধের সন্ধান পেয়েছে। কিন্তু সেই গোলার্ধ একটি দেয়ালের মত, সেই দেয়াল অনেকটা অলীক। তার মধ্যে দিয়ে মাথা বের করে সেই পর্যটক মহাশূন্যের ওপারে কি আছে সেটা দেখার চেষ্টা করছে।  তার কাছে মনে হচ্ছে আর একটি মেঘালোক যার মাঝে রয়েছে আর একটি সূর্য, আর একটি সৌর জগৎ। ছবিটা অনেক জায়গাতেই ষোড়শ শতাব্দীর ইউরোপের কাঠ-খোদাই কাজ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই উল্লেখে কোন শিল্পীর নাম নেই। তাহলে পনেরশো শতকের ইউরোপে ফ্ল্যাট আর্থ বা সমতল পৃথিবীর ধারণা কি বজায় ছিল? শুধু তাই নয় ছবিটিতে সব নক্ষত্ররা একটা তলে অবস্থিত যা ...

পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণার কথা-৫

এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (১ , ২ , ৩ , ৪)   গত পোষ্টে আমরা বোসন কণাদের সাথে প্রাথমিক পরিচয় পর্ব শুরু করেছিলাম এবং মৌলিক বোসনগুলোর পরিচয়ের সাথে সাথে এর দ্বারা সৃষ্ট মৌলিক বলগুলো ও এর কোয়ান্টাম ক্ষেত্র তত্ত্বের সাথেও পরিচয় হব বলে ঠিক করেছিলাম । আমাদের সবচেয়ে পরিচিত বোসন কণা ফোটন আর এর দ্বারা সৃষ্ট তড়িচচুম্বিকীয় বলের সাথে প্রাথমিক পরিচয়টি আমরা ইতিমধ্যেই ছেড়ে ফেলেছি । তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা গেজ বোসন কণা গ্লুয়ন এবং এর দ্বারা সৃষ্ট সবল নিউক্লিয় বল ও এর কোয়ান্টাম ক্ষেত্র (QCD) তত্ত্বের সাথে পরিচয় হব । আজকের পোষ্টে কোয়ার্ক (নিশ্চয়ই অনেকেই চিন্তা করছেন “বললেন বোসন কণা সম্পর্কে ...

কণাতত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার গপ্পো

আঠারো আর উনিশ শতাব্দীতে নিউটনের ক্যালকুলাস, গতিবিদ্যা আর মহাকর্ষ তত্ত্ব নিয়ে অনেক গবেষণা শুরু হয়।  এই গবেষণাগুলো খুব সাফল্যের সাথে বিজ্ঞান আর প্রযুক্তিকে তাড়িৎ-চৌম্বক বিদ্যার দিকে নিয়ে যায়। ক্যালকুলাসের বিবর্তন হয় ধ্রুপদী ক্ষেত্র তত্ত্ব বা ক্লাসিক ফিল্ড থিউরীর মধ্যে। মজা হলো, যখন তাড়িৎ-চৌম্বক ক্ষেত্রকে যখন গণিতের সাহায্যে খুব ভালো ভাবে ব্যাখ্যা করা গেল, অনেক পদার্থবিজ্ঞনী ভাবা শুরু করলেন যে প্রকৃতিতে ব্যাখ্যা করার মতো আর কিছুই বোধহয় বাকি নেই! পদার্থবিজ্ঞানীরা যখন নিশ্চিত সময় কাটাচ্ছেন, তখনই আবিষ্কার হলো ইলেক্ট্রন। আর এর সাথে সাথে জন্ম হলো কণাতত্ত্ব। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গণিত জন্ম নিলো এই কণাদের আচরণ ব্যাখ্যা করার জন্য। কোয়ান্টাম মেকানিক্স আর বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ করে ...

তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান কি?

স্যার আইজ্যাক নিউটনকে মনে আছে? তাঁর সময়ে ইউরোপের বড় বড় গির্জার মতো অসাধারণ স্থাপত্য নির্মাণের জন্য মানুষ বীজগণিত এবং জ্যামিতির ব্যবহার জানতো। গতিহীন-বেগহীন নড়াচড়া করে না এমন বস্তুদের নিয়ে কাজ করার জন্য বীজগণিত আর জ্যামিতি ভালো। কিন্তু যখন কোন গতিশীল, পড়ন্ত বস্তু (গ্রহ, চন্দ্র কিংবা কামানের গোলা) নিয়ে কাজ করতে হলে দরকার অন্য কিছুর। তখন নিউটন (এবং লাইবনিজ) আবিষ্কার করলেন ক্যালকুলাস। তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানীরা প্রকৃতির বিভিন্ন বিষয়কে ব্যাখ্যা করার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন গণিতকে। নিউটনকে বলা হয় বিশ্বের প্রথমন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তাঁর সময়ে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানকে বলা হতো "প্রাকৃতিক দর্শন"। সবসময়েই সূর্য, গ্রহ, চাঁদ আর তারারা মানুষের কৌতুহল আকর্ষণ করে আসছে। একসময় ...

জাড্য ভর ও হিগস ক্ষেত্র

১. হিগস কণা নিয়ে সংবাদ মহলে যে উৎসাহ তা হয়তো চাঁদে মানুষের পদার্পণে যে উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছিল তার সঙ্গে তুলনা করা যাতে পারে। অথচ ১৯৯৫ সনে টপ কোয়ার্ক বা ২০০০ সালে টাউ নিউট্রিনোর আবিষ্কার জনমাধ্যমে সামান্য কৌতূহলের তরঙ্গও সৃষ্টি করতে পারে নি। ঐ দুটি কণার আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে সমস্ত দৃশ্যমান পদার্থের মূল উপাদান ১/২ স্পিন সম্বলিত ১২টি ফের্মিয়ন মৌলিক কণার সন্ধান সম্পূর্ণ হয়। ততদিনে বিজ্ঞানীরা তিনটি মৌলিক শক্তির মধ্যস্থ কণা স্পিন ১ সম্বলিত বোজন কণিকাগুলিকেও সনাক্ত করতে পেরেছেন - ফোটন (তড়িৎ-চুম্বকীয়), ৮ ধরণের গ্লুয়ন (সবল), এবং W+, W- ও Z বোজন (দুর্বল)। বাকি রইল হয়ত মহাকর্ষের মধ্যস্থাকারী কণা গ্র্যাভিটন ও হিগস কণা। নিঃসন্দেহে ...