Posts Tagged "গবেষণা"

Top 25 Most Viewed Posts



Archives by Month:


Archives by Subject:

এসো এবার ফুলের রঙটা দেই পাল্টে ;-)

ফুলের রং পাল্টে দেবার আগে আমার ছোট মামার কথা বলে নেই। আমার দেখা প্রথম বিজ্ঞানী হচ্ছেন আমার ছোট মামা। তার কাছ থেকেই শিখেছি কি করে ফুলের রং পাল্টে দিতে হয়। প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় আমরা ছিলাম সেই বিজ্ঞানী মামার সার্বক্ষণিক এসিস্ট্যান্ট। সে সুবাদে তার কাছ থেকে শিখেছি হলুদ আর সাদা মেশানো ছিটছিট রঙের পাতাবাহার গাছের ডাল কেটে স্বচ্ছ কাঁচের বোতলে পানি ভরে রেখে দিলে কিভাবে শিকড় গজায়। আরও শিখেছি, ফাউন্টেন পেনের কালির দোয়াতে সাদা ফুলের দুবলা গাছ থেকে কী করে কালো ফুল ফোটাতে হয়। চিকন বাঁশের চটি দিয়ে বানিয়েছি বাতাসের দিক নির্দেশক যন্ত্র। ফিউজ হয়ে যাওয়া বাল্বের ভেতর কালি শেষ ...

ক্যান্সারের জিন চেনার পথে এক ধাপ

একেকটি জিনের কাজ একেক রকম। কোনো কোনো জিন মানুষের চোখের রং নির্ধারণ করে দেয়। কোনোটি ঠিক করে মানুষের চুল কেমন হবে, কোনোটি ঠিক করে মানুষের উচ্চতা। আবার কোনো কোনো জিন বর্ণান্ধতাসহ বিভিন্ন জটিল ব্যাধির জন্য দায়ী। কিছু কিছু জিন ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি গবেষকদল এ রকম একটি জিন প্রস্তাব করেছেন। এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ক্যান্সার ইনফরমেটিকসে। এ গবেষণায় তাঁর সঙ্গে আরো কাজ করেন রুহুল আমিন, জেসমিন এবং হাসান জামিল। ক্যান্সারের জন্য দায়ী জিনের এই পরিবারটি হলো মেজ বা মেলানোমা এন্টিজেন পরিবার। এ জিনগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের ...

বড় অনেক গবেষকই দেশে ফিরে আসতে চান

আপনাদের কাজটি একটু ব্যাখ্যা করে বলবেন কী? আমাদের কাজটি ছিল ক্যান্সারের ওপর। আমরা একটা নতুন জিন প্রস্তাব করেছি, যে জিনটা কি না ক্যান্সারের জন্য দায়ী হতে পারে। এ ধরনের জিন আগে দেখা যায়নি। মানুষের ডিএনএতে কিছু কিছু জায়গায় এমন সব জিন থাকতে পারে, যা কি না ক্যান্সার তৈরি করে। মেজ পরিবারে এ রকম অনেক জিন দেখা যায়। সাধারণত মানুষের তিন আর পনেরো নম্বর ক্রোমোজমে এ জিনগুলো থাকে। তবে আমাদের প্রস্তাবিত জিনটি পাঁচ নম্বর ক্রোমোজমে আছে। প্রস্তাবিত এ জিনটি নিয়ে পরে কী ধরনের গবেষণা করা দরকার? বিশ্লেষণ করে মনে হচ্ছে, এ জিনটি টিউমার টিস্যুর সঙ্গে জড়িত। এ জন্য আমরা বায়োইনফরমেটিকস ব্যবহার করছি। সত্যি সত্যিই ...

‘ল্যাবে মেয়ের সংখ্যাই বেশি’

  ঘর-সংসার সামলেও যে রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএর মতো জটিলতর বিষয় নিয়ে গবেষণা  করা যায় তার প্রমাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও  অনুপ্রাণ বিভাগের অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ। শিগগিরই হয়তো তার গড়ে তোলা গবেষণাগার হতে উপকূলের চাষীদের হাতে পৌঁছে যাবে লবণসহনশীল নতুন জাতের ধান। এই সাক্ষাতকারটির পরিবর্তিত অংশ কালের কন্ঠের সন্ধানীতে প্রকাশিত হয়েছে। ১. আমাদের সমাজে সাধারণত স্নাতকের পরেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। তারা গৃহিণী হয়ে যান। আপনি কেন ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেন? - প্রায়ই দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা শেষ হয়ে যায়। আমার ক্ষেত্রে তা হয় নি। আমার পড়াশুনা করতে ভালো লাগতো। আমার বাবা ছিলেন উদ্ভিদবিদ্যার প্রফেসর।আমার পড়াশুনায় আগ্রহের তিনিও বুঝতেন। তাই বিয়ের প্রস্তাব ...