Posts Tagged "ডিএনএ"

Top 25 Most Viewed Posts



Archives by Month:


Archives by Subject:

তথ্যভান্ডার হিসেবে ডিএনএ

ইএমবিএল-ইবিআই(ইউরোপিয়ান মলেকিউলার বায়োলজি ল্যাবরেটরী-ইউরোপিয়ান বায়োইনফর্মেটিক্স ইন্স্টিটিউট) এর গবেষকরা তথ্যকে ডিএনএ হিসেবে জমা রাখার উপায় আবিস্কার করেছেন। এই নতুন পদ্ধতিটি বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’ এ ২৩ জানুয়ারি,২০১৩ তে প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তত একশ মিলিয়ন ঘন্টার হাই ডেফিনিশান ভিডিওকে এক কাপ ডিএনএর মধ্যে জমা করে রাখা সম্ভব হবে। ডিজিটাল তথ্যে ভরে গেছে পৃথিবী। যার পরিমাণ প্রায় তিন হাজার বিলিয়ন বিলিয়ন বাইটস। প্রতিনিয়ত এতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য। এ তথ্যগুলো সংরক্ষণের কাজে যারা নিয়োজিত তাদের জন্য কাজটা ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন তথ্য জমিয়ে রাখার জন্য হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে যা অত্যন্ত মূল্যবান এবং এর জন্য নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজন হয়। ...

কৃত্রিম ডিএনএতে বিবর্তন পর্যবেক্ষণ: বিবর্তন প্রতিষ্ঠায় আরো একধাপ

বিবর্তন প্রতিষ্ঠার পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো বিজ্ঞান। প্রথমবারের মত বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে বিবর্তনের রসায়ন পর্যায়ের পরীক্ষা চালিয়েছেন এবং আবিষ্কার করেছেন যে, রাসায়নিক ভাবেই বিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই গবেষণার মাধ্যমে বোঝা গেলো মহাবিশ্বের অন্যকোথায় প্রাণের বিকাশ ঘটলে সেখানেও স্বাভাবিক রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণের বংশবৃদ্ধি এবং বিবর্তন ঘটবে এবং তার জন্য পৃথিবীর অনুরূপ ডিএনএ বা আরএনএ-র দরকার হবে না। এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি অতিসম্প্রতি ‘সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যমব্রিজের MRC Laboratory of Molecular Biology এর গবেষক ফিলিপ হলিগার। DNA এবং RNA হচ্ছে পৃথিবীতে জীবের বংশবিস্তার এবং শারীরবৃত্তীয় কাজের মূল ভিত্তি। জীবের বংশগতীয় যাবতীয় বৈশিষ্ট্য DNA তে কোডের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করা ...

বিবর্তনবাদ : Theory or Fact?

ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম বড় বিতর্কের নাম বিবর্তনবাদ। বিবর্তনবাদ নিয়ে বিতর্কটা নতুন মনে হলেও এটা কিন্তু খুব নতুন কোন বিষয় নয়। খ্রিষ্টের ও জন্মের আগে গ্রীক দার্শনিক আনাক্সিম্যানডার (Anaximander) বিবর্তনবাদের ধারণা দিয়ে গেছেন। এরপর বিভিন্ন বিজ্ঞানী ও দার্শনিক বিবর্তনবাদের স্বপক্ষে কথা বললেও, তেমন কোন জোরালো প্রমানের অভাবে এই তত্ত্ব জনসাধারণের মধ্যে তেমন গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। তবে ঊনবিংশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময়ে চার্লস ডারউইন এবং আলফ্রেড  রাসেল ওয়ালেস এর মাধ্যমে বিবর্তনবাদ তত্ত্বটি নতুন করে পালে হাওয়া পায়। ১৯৫৯ সালে ডারউইন তাঁর “On the origin of species” নামক বইয়ে প্রাকৃতিক নির্বাচন বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করেন। বলতে গেলে এর পর থেকেই বিবর্তনবাদ তত্ত্বটি কিছুটা হলেও গ্রহণযোগ্যতা পায় ...

ক্যান্সারের জিন চেনার পথে এক ধাপ

একেকটি জিনের কাজ একেক রকম। কোনো কোনো জিন মানুষের চোখের রং নির্ধারণ করে দেয়। কোনোটি ঠিক করে মানুষের চুল কেমন হবে, কোনোটি ঠিক করে মানুষের উচ্চতা। আবার কোনো কোনো জিন বর্ণান্ধতাসহ বিভিন্ন জটিল ব্যাধির জন্য দায়ী। কিছু কিছু জিন ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি গবেষকদল এ রকম একটি জিন প্রস্তাব করেছেন। এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ক্যান্সার ইনফরমেটিকসে। এ গবেষণায় তাঁর সঙ্গে আরো কাজ করেন রুহুল আমিন, জেসমিন এবং হাসান জামিল। ক্যান্সারের জন্য দায়ী জিনের এই পরিবারটি হলো মেজ বা মেলানোমা এন্টিজেন পরিবার। এ জিনগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের ...